ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস ওয়ারেন্টির মধ্যে বেসিক পার্থক্য গুলো কি কি ? কোনটি আপনার জন্য গুরুত্বপুর্ন তা জেনে নিন এখনিই।
![]() |
| WARRANTY |
বর্তমান বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন দেখা যায়, এবং এদের মধ্যে একটি কমন বেপার খেয়াল করি তা হলো ওয়ারেন্টি। আজ কাজ মার্কেটে ওয়ারেন্টির জন্য আলাদা কম্পিটিশন শুরু হয়েছে এবং এটা হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারন আপনি যখন একটি পন্য ক্রয় করেন অবশ্যই নিচের জিনিসগুলোর প্রায়োরিটি সবার আগে দিয়ে থাকেন,
১) ব্র্যান্ড ভেল্যু
২) প্রোডাক্টের গুনগত মান
৩) ফিচারসমূহ
৪) ওয়ারেন্টি
দেখেন দিন শেষে প্রতিটি ক্রেতা ওয়ারেন্টি নিয়ে চিন্তা করে, এবং এ নিয়ে মার্কেট প্লেস এ অনেক জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।
ওয়ারেন্টি মূলত ২ প্রকারের হয়ে থাকে,
১) ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি
২) সার্ভিস ওয়ারেন্টি
চলুম ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস ওয়ারেন্টির মধ্যে বেসিক পার্থক্য গুলো দেখে নেই।
মৌলিকতাঃ
ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টিঃ যেখানে ব্র্যান্ড নিজেই তার প্রোডাক্টের সার্ভিসিং করে দেয়।সার্ভিস ওয়ারেন্টিঃ যেখানে ৩য় কোন পক্ষ সার্ভিসিং করে এবং ব্র্যান্ড কোম্পানি প্রোডাক্ট এর সার্ভিসের সাথে জড়িত থাকেনা।
দায়বদ্ধতাঃ
ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টিঃ ব্র্যান্ড নিজেই প্রোডাক্ট এর সবকিছুর দায়িত্ব বহন করে।সার্ভিস ওয়ারেন্টিঃ বিক্রেতা পন্যের বিক্রির দায়িত্ব নেয় কিন্তু ব্র্যান্ডের দায়িত্ব নেই না।
মূল্য পরিমাণঃ
ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টিঃ আসল ব্র্যান্ডের পন্যের দাম এর ভেতর ওয়ারেন্টি খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই দাম কিছু বেশি হয়।সার্ভিস ওয়ারেন্টিঃ পন্যের দাম কম হয় কারণ এটা কপি পণ্য এবং বিক্রেতা নিজেই এর সার্ভিস দিয়ে থাকে।
সার্ভিসিং মুল্যঃ
ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টিঃ সার্ভিসিং চার্জ ফ্রী ও পার্টসের মুল্য লাগেনা। আঘাত জনিত সমস্যা থাকলে পার্টসের মূল্য পরিশোধ করতে হয়।সার্ভিস ওয়ারেন্টিঃ সার্ভিসিং চার্জ ফ্রী কিন্তু যে কোন সমস্যার পার্টসের মূল্য পরিশোধ করতে হয়, যদিও তা আসল নয়।
সময়ঃ
![]() |
| Customer Service |
ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টিঃ ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি এর সময় থাকে ১ বছর এবং তারপর আসল ব্র্যান্ড এর পার্টস এবং সার্ভিস পাবেন ব্র্যান্ডের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে।
সার্ভিস ওয়ারেন্টিঃ প্রথম বছর থেকেই ব্র্যান্ডের কোন কাস্টমার কেয়ার ব্যবহার করতে পারবেন না। ব্র্যান্ড নিজেও এর কোন দায় নেবে না।
সার্ভিসের ধরনঃ
ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টিঃ কোন পার্টস যদি ওয়ারেন্টি চলাকালীন সময় কোন আঘাত বা বাহিরের কোন বল প্রয়োগে নষ্ট না হয় তাহলে আপনি বিনা মুল্যে আসল পার্টস পাবেন।সার্ভিস ওয়ারেন্টিঃআপনাকে সার্ভিস করে নিতে হবে মুল্য দিয়ে কিন্তু আসল পার্টস পাবেন না।
উপরোক্ত পার্থক্য থেকে বুঝতেই পারছেন ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস ওয়ারেন্টির এর মাঝে আকাশ-পাতাল পার্থক্য বিধ্যমান। তাই একজন সচেতন নাগরিকের কাজ হচ্ছে সকল বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা। আপনি যখন কোনো প্রকার ওয়ারেন্টি সম্পন্ন পন্য কিনছেন অবশ্যই উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করেই কিনবেন।
আমাকে ফলো করতেঃ
1. Google Plus Link
2. Facebook Link
প্লিজ Subscribe YouTube Channel, টেকনিক্যাল ভিডিও দেখার জন্য।
মোঃ সবুজ খান
টেক প্রিয়জন টিম


Comments
Post a Comment